Friday, March 10, 2017

দেবের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন ঋত্বিকা




গাদ্দার’ ছবিতে অভিনয় করতে এখন ঢাকায় রয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋত্বিকা সেন। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আসেন তিনি।
যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘গাদ্দার’-এ অভিনয়ের জন্য তার এই সফর। ‘বরবাদ’ খ্যাত এই নায়িকাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান ছবির নায়ক শ্রাবণ খান। বৃহস্পতিবার শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ডিসেম্বরে ভারতে এ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন বাংলাদেশের ভেনাস মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের ভিশন এন্টারটেইনমেন্ট।
জানতে চাওয়া হয়েছিল দেবের সাথে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে। ঋত্বিকা বলেন, দেবের সাথে কাজের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল। সে খুবই বন্ধুপরায়ন। ওর সাথে আমার কাজের ধরন দেখে অনেকেই মুগ্ধ হয়েছিলেন।
আরশিনগর’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে দেবের সাথে আপনি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন, কলকাতার গণমাধ্যমে এমন খবর এসেছিল। এছাড়াও আপনার সাথে দেবের প্রেমের বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছিল ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঋত্বিকা বলেন, আমিও জানি দেবের সাথে আমার সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো লিখেছিল। কিন্তু তারা সেইসব খবর যাচাই কতটুকু করেছে আমার জানা নেই। আমার কাছে যদি আমার যদি আপনি জানতে চান তাহলে আমার উত্তর দেবের সাথে আমার সাথে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং একশো ভাগ গুজব।

সানি লিওনের গোপন তথ্য






বড় বড় তারকারা কিছুটা লুকোচুরি খেলবেন এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই যেন নিয়ম। সেই নিয়মেরই অংশ যেন এটি। মিডিয়ায় যারা কাজ করতে আসেন তারা তাদের আসল নাম গোপন করবেন বা বদলে ফেলাবেন, সেই ইতিহাসটা তো আর নতুন কিছু নয়।
উত্তম-সুচিত্রা, সুচন্দা থেকে শাবনূর তারা সকলেই মিডিয়ায় অভিষেকের সময় বদলে ফেলেছেন তাদের আসল নাম। হালের বিদ্যা সিনহা মিম-এরও নামও নাকি আসল নয়। এমটাই জানা গেছে প্রয়াত বিখ্যাত এক লেখকের বই থেকে।
সে যাই হোক বলছিলাম বলিউড টিনসেলে এই সময়ের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা মডেল অভিনেত্রী সানি লিওনের কথা। এ নামটি নিয়ে সার্চ ইঞ্জিনে খোঁজা হয় তাকে, যা কিনা রেকর্ড তৈরি করে। আবার তার অভিনীত ছবির খবর দেখলেই দর্শক নড়েচড়ে বসেন বাড়তি বিনোদন পাওয়ার আশায়।
সেই সানি লিওন বিষয়ক কিছু তথ্য আজ আপনাদের জানাতে চাই, যা আগে হয়তো কোথাও পড়েছেন কিš‘ এখন তা মনে নেই। আবার হয়তো বা আপনি জানেনই না যে, আপনি তাকে যে নামে জানেন সেটা আসল নয়। এ রকম ভুলে যাওয়া অথবা অজানা দশটি তথ্য দিচ্ছি আজ।

১. সানি লিওনের উপরে বলিউডের দৃষ্টি পড়েছিলো যখন তিনি ভারতের সমালোচিত টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বস-এর অংশ নিতে কানাডা থেকে ভারতে উড়ে আসেন। সে সময় তার একমাত্র পরিচয় ছিল, তিনি পর্নো সিনেমার অভিনেত্রী। এ টিভি শোয়ে অংশ নেওয়ার আগেও তিনি টসটসে শরীর দেখিয়ে আর আগুন ঝড়া চাহুনি দিয়ে পুরুষের কামনাকে বাড়িয়ে দেওয়ার কাজ করতেন।
সে সময় থেকে তিনি সানি লিওন নামে পরিচিতি পেলেও এটা তার আসল নাম নয়। এ আবেদনময়ী নারীর বাবা-মায়ের দেওয়া নাম কারিনজিৎ কৌর বহরা। আর সানি লিওন নামটি তিনি স্টেজে ব্যবহার করতেন। সে সময় সানি পেশায় ছিলেন একাধারে ইন্দো-কানাডিয়ান এবং আমেরিকান অভিনেত্রী, ব্যবসায়ী ও মডেল।
২. একটি চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে বলিউডে কাজ শুরু করেন সানি লিওন। তিনি যখন টিভি শো বিগ বসের জন্য কাজ করছিলেন সে সময় তার কাছ থেকে ঘোষণা আসে, ভারতীয় সিনেমায় তিনি অভিনয় করে নিজের অভিনয় প্রতীভাকে প্রমাণ করে দেখাবেন।
যদিও তার সেই ঘোষণার পর থেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে মেলে ধরার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সে যাই হোক, সানি লিওন যখন একজন পর্নো অভিনেত্রী হিসেবে কাজ শুরু করেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র উনিশ। আর সে সময় তিনি পেডিয়েট্রিক বিষয়ে পড়াশুনা করতেন।
৩. রাগীনি এমএসএস ২-তে অভিনয় করা একমাত্র অভিনেত্রী তিনি, যিনি কিনা সিনেমাটির নির্মাতাদের সঙ্গে লোকেশন খুঁজতে গেছেন। এই অভিনেত্রী একটি ক্যাথলিক স্কুলে পড়ালেখা করেছেন এবং ১১ বছর বয়সে তিনি প্রথম কোনো পুরুষকে চুমু খেয়েছেন। সানি লিওন অন্য একটি স্কুলে পড়ার সময় একজন বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের কাছে নিজের কুমারিত্ব হারান।
সে সময় তার সয়স ছিল ষোল। এরপর তিনি আঠার বছর বয়স থেকে একজন উভয়গামী হিসেবে নিয়মিত যৌনসম্পর্কে জড়িয়ে পরেন। তবে এক্ষেত্রে সঙ্গী হিসেবে তিনি পুরুষদেরকেই পছন্দ করতেন।
৪. ২০১০ সালে একটি প্রথম সারির পুরুষদের ম্যাগাজিনের জন্য সেরা ১২ পর্নো তারকার সঙ্গে মডেল হন। তিনি চোখে গ্লিসারিন লাগিয়ে প্রথম কাঁদতে শেখেন জিসম টু-এর সেটে। এরপর তার অভিনীত রাগীনি এমএমএস টুতে এতটাই খোলামেলা অভিনয় করেন যা পরে সিনেমা থেকে বাদ দিতে হয়।
৫. পর্নো তারকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর আগে তিনি জার্মান বেকারি জিফি লুবিতে কাজ করতেন। এছাড়া তিনি একটি ট্যাক্স ও রির্টায়ারমেন্ট ফার্মেও কাজ করতেন। এখন তিনি বলিউডে ¯’ায়ি হওয়ার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। যদি ভারতে আসার আগে এ নিয়ে তার অনেক দ্বিধা ছিলো।এ বিষয়ে তার অভিমত, আমাকে যখন ভারতে আসার জন্য বলা হলো, তখন আমি তা নিয়ে খুবই ভীত ছিলাম।
ভারতে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেরে সঙ্গে অনেক যুদ্ধ করতে হয়েছে। কেননা সে সময় এখানে বসবাস করার বিষয়ে আমার কোনো ধারণাই ছিলো না। যখন আমি মিডিয়ায় আসলাম, তখন যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় কমিউনিটি আমাকে ঘৃণা করতে শুরু করলো। তাদের সেই ঘৃণা আমি আর পেতে চাইনি। কিš‘ মজার বিষয় হলো, এখন যুক্তরাষ্ট্রের সেই ভারতীয় কমিউনিটিই আমাকে নিয়ে গর্ব করে।
৬. সানি লিওন ভারতের বাহিরে একজন পর্নো অভিনেত্রী ও প্রযোজক হিসেবে পরিচিত। তিনি ভারতে পরিচিতি পান ২০১১ সালে টিভি শো বিগ বস এর সিজন ফাইভ-এর মাধ্যমে। এই শো তাকে ভারতে পরিচিত করে তোলে। এর আগে সানি বিয়াল্লিশটি পর্নো সিনেমা পরিচালনা করেছেন এবং একচল্লিশটি পর্নো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এখন তিনি বলিউডে সিনেমায় অভিনয়সহ নানাধরণের কাজ করছেন। ভবিষ্যতে তাকে বলিউডে একজন প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে দেখা যেতে পারে বলেই অনুমান করা হয়।
৭. সানি বিয়ে করেছেন ড্যানিয়েলে ওয়েবেরকে। তবে তিনি প্লেবয় এন্টারপ্রাইজের মার্কেটিং ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাট এরিকসনের বাগদত্তা ছিলেন। ২০০৮ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সানি একটি স্বা¯’্যবান শিশুর মা হতে চান। এ বিষয়ে সানি টাইস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, আমরা দুজনেই একটি শিশু জন্ম দেওয়ার কথা ভাবছি। ড্যানিয়েল একটি ছোট্ট মেয়ে চায়। তবে আমরা কাছে ছেলে বা মেয়ে কোনো বিষয় না। আমার চাওয়া সেই শিশুটি স্বা¯’্যবান হোক। তবে এটা জানি না এ আশা কবে পূর্ণ হবে। হয়তো শিগগিরি তা হবে।
৮. সানি লিওনকে সর্বশেষ রাগীনি এমএমএস টু তে দেখা গেছে। এই সিনেমায় তিনি ভূতের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তবে এই অভিনেত্রীর দাবী তিনি কখনই ভূতকে ভয় পান না। এবং তার বাস্তব জীবনে কখনই ভূত নিয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তিনি ভূতে ভয় না পেলেও কীটপতঙ্গ ও ছাড়পোকাকে দারুণ ভয় পান। এটা নাকি তার এক ধরণের ফোবিয়া।
৯. সানি ভ্রমণ করতে খুব পছন্দ করেন। তিনি সারা দুনিয়াকে ঘুরে ফিরে দেখতে চান। বলিউডে কাজ শুরু আগে তিনি চারবার ভারত ঘুরে গেছেন। এই পর্নো তারকার কাজের মূল শক্তি হলো তার আতœবিশ্বাস। তিনি মনে করেন, আমার কয়েকটি ছবি দেখার পরে মানুষ এটা জেনেছেন যে আমি একজন ডেডেগেটেড মানুষ। আমি হয়তো নিজের প্রতীভাকে মেলে ধরার জন্য সময় নিচ্ছি।
তবে আমার কাজ নিয়ে আমি একটুও অনুতপ্ত নই। যাই হোক আমি মনে করি, আমার অতীতের কাজ যারা দেখেছেন তাদের মধ্যে আমি যদি একজনের মানসিকতাকেও পরিবর্তন করতে পারি তাহলেই আমি স্বার্থক। আমি কাউকে আঘাত করতে চাইনি। আমি কারো ঘর ভাঙতে যাইনি। আমি শুধু আমার সিনেমারগুলোর জন্য পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এবং আমি সেটা অব্যাহত রাখব।’
১০. এই শিল্পী যখন বিগ বসের বাড়িতে কাজ করছিলেন তখন ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা মহেশ ভাটের নজরে আসেন। সে সময়ই তিনি এই অভিনেত্রীকে তার জিসম টু এর জন্য চুক্তিবদ্ধ করান। তবে অবাক করা বিষয় হলো সানি লিওন ছবিটিতে কাজের জন্য দশ লাখ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক দাবি করেন।

সানি লিওনের পর্নো তারকা হয়ে উঠার গল্প

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এসেই তুমুল ঝড় তুলেছেন ইন্দো-কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত পর্নো তারকা সানি লিওন। চলচ্চিত্রপ্রেমীরা মনে করেন, তার ফিল্মি ক্যারিয়ারে অনেকখানি সহায়তা করেছে অতীতে তার পর্নো জীবন। সকাল দুপুর নগ্ন আর ভগ্নতার সঙ্গে যার পাশা খেলা, জিসম টুতে তার খেলতো সামান্যই দেখেছে তামাম মুম্বাই-মুলুক। সামনে তিনি আরো চমক দেখাতে চান মুম্বাইয়ে।
বর্তমান ঘটনা যাই হোক, ৩১ বছরের লাস্যময়ী সানি অন্য দশজন সাধারণ মানুষের মতোই ছিলেন। নিজের উত্তাল জীবনের ব্যতিক্রমী পথচলার ইঙ্গিত দিয়ে পরবর্তী সময়ে প্রথম চুম্বনটি করে বসেন তার সহপাঠীকে। আর স্কুল না পেরোতেই এক বাস্কেট বল খেলোয়াড়ের প্রেমে পড়েন তিনি। জীবনের প্রথম প্রেমের ছোয়ায় ১৬’তে পৌঁছেই কুমারীত্ব বিসর্জন দেন। কারো প্ররোচনার ধার ধারেননি। স্বেচ্ছায় সেই জীবনের পথে হেঁটে গেছেন, খেয়াল খুশী মতো চলেছেন।
কানাডার ওন্টারিওর সার্নিয়া শহরে সানির জন্ম ১৯৮১ সালের ১৩ মে। শিখ ধর্মাবলম্বী সানির বয়স যখন ১৪ বছর, তখন তার পরিবার কানাডা থেকে মিশিগানে পাড়ি দেয়। পরে ক্যালিফোর্নিয়ার লেক ফরেস্টে পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করে সানির পরিবার।
সদা চঞ্চল সানি কোনোও মতে পড়াশুনা শেষ করে নিজেই উপার্জনের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এভাবেই বিখ্যাত পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের এক ফটোগ্রাফারের সাথে পরিচয় তার। প্রথমে শখের বসে ফটোসেশন পরে মডেলিং শুরু।
এর পরের ইতিহাস তিনি নিজের হাতেই তৈরি করেছেন। বিশ্বের সেরা পর্নোস্টারদের তালিকায় তার নাম ছয় নম্বরে। কিন্তু সেই পথ থেকে তিনি এখন অনেকটাই সরে এসেছেন। এখন তিনি সেই তালিকার কথা ভাবেনও না; বরং মুম্বাইয়ের রূপালী পর্দার তারকাদের তালিকায় যতো দ্রুত সম্ভব উপরে উঠতে চাচ্ছেন তিনি। এই ক্যারিয়ারে তিনি কতদুর কি করতে পারেন তা ভবিষ্যতই বলে দেবে।

মিমের লজ্জা ভাঙলেন ডিপজল!




‘প্রথম দৃশ্যেই তিনি (ডিপজল) আমার চুল বেণি করে দেন। কী যে লজ্জা লাগছিল আমার।’-বললেন বিদ্যা সিনহা মিম। নতুন চলচ্চিত্র ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবির শুটিংয়ে অভিজ্ঞতা শোনালেন মিম। এতে ডিপজলের শ্যালিকার চরিত্রে অভিনয় করছেন মিম। ডিপজলের সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে এমন লজ্জায় পড়েছিলেন মিম। পরে ডিপজল বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করেন। মিমের সঙ্গে সহজেই মিশে যান। ফলে সহজেইট দৃশ্যটি ধারণ করা সম্ভব হয়।

ডিপজলকে নিয়ে এই সাবেক লাক্স তারকার বলেন, ‘পর্দায় যতটা ভয়ংকর লাগে, ডিপজল ভাই বাস্তবে উল্টো। তাঁর সঙ্গে কাজ না করলে বিশ্বাসই হতো না যে বাস্তবে মানুষটা এত ভালো।’ 

‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবিতে মিমের বিপরীতে অভিনয় করছেন বাপ্পি চৌধুরী।

‘পৃথিবীর সব মেয়েরাই পুরুষদের সানি লিওনের মতো আনন্দ দিক’




 বলিউডের খ্যাতিমান পরিচালক রামগোপাল ভার্মার ছবি রুপালি পর্দায় বেশ আনন্দ দেয়। এডাল্ট কমেডি ও এডাল্ট থ্রিলার ধাঁচের ছবি নির্মাণে ভার্মার সুনামও রয়েছে বেশ বলিউডে। তবে নারী দিবসে সানি লিওনকে নিয়ে এক ইঙ্গিতপূর্ণ অশ্লীল টুইট করে বেশ বিপাকে পড়েছেন `সরকার` খ্যাত এই পরিচালক। 

জানা যায়, নারী দিবসে ব্যক্তিগত টুইট একাউন্টে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন রামগোপাল। ক্যাপশনে তিনি লিখেন `আশা করি পৃথিবীর সকল নারীরা পুরুষকে একইভাবে সুখ দিবে, যেমনটা দিতো সানী লিওন!` নারী দিবসে এমন অশ্লীল ঈঙ্গিতপূর্ণ টুইটবার্তায় অনেকেই রামগোপালকে এক হাত নিয়েছেন। এ নিয়ে মোটেও বিচলিত নয় ভার্মা। তিনি আরও রিটুইট করে যারা তার সমালোচনা করেছে তাদের `মুর্খ` বলে আখ্যায়িত করেছেন। 

এতে অবশ্য কিছুই মনে করেন সানি লিওন। কারণ ভার্মার পোস্টের রিপ্লাই দিয়েছেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, এর আগেও জ্যাকি শ্রফের ছেলে টাইগার শ্রফের বলিউডে আগমন নিয়ে কটুক্তি করে সমালোচনার স্বীকার হন এই পরিচালক। 

সানির সুন্দর শরীরের রহস্য ফাঁস



নিজের সুন্দর শরীরের রহস্য ফাঁস করেছেন বলিউডের আলোচিত তারকা সানি লিওন। বলিউডে নাম লেখানোর সময় সানি বেশ স্থুলকায় ছিলেন। বলিউডের ট্রেন্ড অনুযায়ী সৌন্দর্যকে ইউএসপি করতে গেলে যে বাড়তি মেদ ঝরাতে হবে তা ভালোই বুঝেছিলেন সানি। সেজন্য আগের থেকে অনেকটাই রোগা হয়েছেন সানি। বলতে গেলে স্লিম-ট্রিম সানি এখন বলিউডকে নতুন চমক দিতে প্রস্তুত। 

কিন্তু, তার এই সুন্দর শরীরের রহস্য কী? ট্রেডমিলে দৌড়ানো। যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন সানি। এটাই নাকি তার সুন্দর শরীরের গোপন রহস্য। সানি নিজেই টুইটারে তা ফাঁস করেছেন। 

জানিয়েছেন, এর জন্য আমি যা ইচ্ছে তাই করতে পারি। এর জন্য নিংড়ে দিতে আমি নিজেকে উদ্বুদ্ধ করতে পারি, বলতে পারি আরও এক মিনিট, আরও এক মিনিট। 
ট্রেডমিলে দৌড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সানি নিজেকে সুন্দর রাখতে আরও কিছু শরীর চর্চা করেন। সেগুলি হলো নিয়মিত জিম করা, যোগাসন, স্কোয়াট করা। যখন এসব করতে ভালো লাগে না তখন সানি নাকি সমানে হেঁটে চলেন। 

এছাড়াও সানি তার খাদ্যাভাসে বেশ কিছু বিষয়ে নজর রাখেন। অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার গ্রহণ করেন না। কোনও ধরনের পানীয় কখনই পান করেন না। সকালে প্রচুর পরিমাণে দুধ খান তিনি। ভারি খাবারে প্রচুর পরিমাণে তাজা সবুজ সবজি থাকে। সুন্দর শরীর রাখতে দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফি পান করেন। এমন খাবার তিনি খান যাতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেড থাকে। এছাড়া গোটা দিন প্রচুর পান করেন সানি।

Comments

Comment

Disqus Shortname